Posts

আমার মেয়েবেলা

Image
।।আমার মেয়েবেলা।। রিম্পা ষড়ংগী  ২০/০৭/২০ গরীব ঘরে জন্ম বলে দাওনা যে তাই নজর নীচুতলার মেয়ের আবার কেউ কি দেবে কদর।। বাপ মায়ের ও চোক্ষের বিষ মেয়েই যখন বটে পোড়া কপাল সবাই যে কয় আধ পেটা ভাত জোটে।। যত্ন আমার করার ত কেউ নেই যে দুনিয়ায় পশুর মতো বাঁচিই যখন আপন ঠিকানায়।। দোষ কি আমার,জন্ম হল গরীব বাবার ঘরে তুচ্ছ মেয়ে,সবার কাছেই যাইনি যখন মরে।। মেয়ের জীবন,দুখের জীবন শুধুই অবহেলা খেলার পুতুল কে দেবে আর ধন্য মেয়েবেলা।। ছোট্ট বেলা,আমার কাটে স্যাঁতসেঁতে  এক ঘরে বস্তি বাসী মানুষ মোরা জীবন টা কাল ধরে।। মা যে আমার বাবুর ঘরে দিন ও রাতি খাটে আমি ঘুরি রাস্তা ঘাটে গলি পথে,মাঠে।। আমিও ত বাচ্চা মেয়েই শখ যে পুতুল খেলা ফ্যালনা আমি,নিতান্ত এক যাচ্ছে না ত গেলা।। হতাম যদি ধনীর মেয়ে পালটে যেত জগত খেলার পুতুল, বন্ধু, সাথী এবং আলোর ভবিষ্যৎ।।  পেতাম কতই ভালোবাসা হতাম সবার চোখের মণি রূপের ছটা নাই বা থাকুক বলত লোকে চাঁদবদনী।।  জন্ম দিনের হত পার্টি চতুর্দিকে আলো হরেক রকম আড্ডাবাজি চাইত সবাই ভালো।। আমি ত এক নীচ ও অধম নিঃস্ব বাপের মেয়ে ভাগ্য বিধির ভাগ্যখেলা, দেখছি চেয়ে চেয়ে হতেই পারি বড়লোকের ম...

নজরুল প্রবন্ধ

।।চির প্রত্যয়, চির তারুণ্যের, চির আশার পথিকৃৎ ----- "নজরুলের কন্ঠে  বিঘোষিত  ছাত্রদলের গান।। ******************************************* ✍রিম্পা ষড়ংগী, ১১/০৭/২০ ******************************************* নজরুল চিরন্তন আশার কবি,আশা জাগানোর কবি,আশার পথে আলো দেখানোর পথিকৃৎ।তাই চিরচঞ্চল,চির দুর্বিনীত, চির নতুনের কাছে কবির বিশ্বাস ও ভরসা অটল।আর প্রত্যয় ঋদ্ধ কবির বলিষ্ঠ আশা ও অঙ্গীকার কে সাফল্য মন্ডিত করতে পারেচির নতুনের,চির যৌবনের প্রাণশক্তিতে প্রাণোচ্ছল বেপরোয়া ছাত্রদল।ভালোবাসার আশার ভবিষ্যৎ রচনা করবে চিরনবীন ছাত্রসমাজ।কবি মনেকরেন ছাত্রদলই হল চিরকালের আশার ভবিষ্যৎ।দুরন্ত স্বপ্ন মশাল চোখে নিয়ে,স্বপ্ন পথে সফলতা আনতে এরা কখনো পিছপা হয়না।তারজন্যে এরা ভাগ্যদেবীর যজ্ঞবেদীর নিত্যবলিদান হয়,কখনো শক্ত মাটিকে রক্তে রাঙানোর নেশায় এরা প্রবৃত্ত হয়।আর এদের চোখ দিয়েই বিশ্ববাসীর স্বপ্ন দেখা সফল হয়। তাই ছাত্রদলের জয়গানে কবির ব্যগ্র কন্ঠ মুখরিত হয়ে উঠেছে প্রতিনিয়তই।তারুণ্য দীপ্ত,নির্ভীক,প্রাণবন্ত  এই ছাত্রদল জীবনের ও জগতের পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। তাইত এরা দ্বিধাহীন চিত্তে সহস্র ঝুঁকি নিতে কুন...

fav najrul

Image
প্রবন্ধ:।। বিদ্রোহী কবিসত্বায় নজরুল।। রিম্পা ষড়ংগী ০৩/০৭/২০ বিদ্রোহী কবি বলতে যার মুখ হৃদয়ের ফেনিল উচ্ছ্বাসে আজো উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে তিনি আর কেউ নন নিপীড়িত মানবাত্মার পূজারী,সাম্যবাদের কাণ্ডারি  কবি নজরুল ইসলাম।নতুনের বিজয় কেতন উড়িয়ে,মধুর রোম্যান্টিক বাংলা কাব্য অঙ্গনে বিদ্রোহের রণদামামা বাজিয়ে পাঠকের চেতনায় যিনি তুলেছিলেন কালবোশেখি র ঝড়,তিনিই সেই বিদ্রোহী কবিসত্বা,বাংলা কাব্যজগতের stormy petrel. নজরুলের কন্ঠে ধ্বনিত সেই বিশ্ব মানবতার স্পন্দিত প্রতিশ্রুতি।বিংশ শতাব্দীর মার্ক্স লেনিনের সংগ্রামী চেতনার তরংগায়িত প্রক্ষেপ নজরুলের লেখণিতে,,,কবির সুদৃঢ উচ্চারণ " মোদের মাঝে মুক্তি কাঁদে বিংশ শতাব্দীর"।নজরুল এক সৃজনশীল সংগ্রামী সত্তা।কারাগারের শৃঙখল পরে,বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন তা বাঙালি প্রানে এক নতুন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। সাম্যবাদী এই কবি সাম্যবাদ পিয়াসী। তাই তিনি বলেছেন"সমস্ত সাম্প্রদায়িকতার মাতলামির অবসান হবে সেদিন যেদিন হিন্দু মুসলমান পরষ্পর পরষ্পর কে পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা নিয়ে আলিংগন করতে পারবে।সেদিন যে competition হবে তা হল cultured মনেরchivalrous competition....
Image
ভ্যালেন্টাইন স্পেশ্যাল,,,, তুমি যদি চাও এবং বল,,,,,, ********************* রিম্পা ষড়ংগী ..................... তুমি যদি চাও এনে দিতে পারি মুঠো মুঠো করে স্বপ্ন সুখ তুমি যদি চাও এনে দেবো আমি সত্যযুগের শারি ও শুখ।। তুমি যদি চাও হতে পারি আমি পাগল প্রেমিক মুক্ত বুক তুমি যদি চাও তাহলেই আমি ঘটাতে পারি যে প্রবল অসুখ।। তুমি যদি চাও উন্মাদ আমি সবেতেই রাজি করবো পণ তুমি যদি চাও চলে যাবো আমি দিগন্ত শেষ বৃন্দাবন।। তুমি যদি বল তৃষাতুর আমি দেখবো তোমাকে সারাটাক্ষন তুমি যদি বল আগুন ওপরে হেঁটে যাবো আমি চিরন্তন।। তুমি যদি বল মংগল গ্রহে দেবো আমি পাড়ি চিরটাকাল তুমি যদি বল কাটিয়ে যে দেবো তোমার সাথেতে অনন্তকাল।। তুমি যদি বল হব প্রতিবাদী থাকবে না যে কোন লাগাম তুমি যদি বল ঘুষখোর হব সবেতেই নেবো টাকা আগাম।। তুমি যদি বল বেরিয়ে আসবো খুলে ফেলে রেখে সব আভরন তুমি যদি বল আঁধার রাতেতে করবো প্রদীপ প্রজ্জ্বলন।। তুমি যদি বল ছিঁড়ে দেবো আমি রাশি রাশি বই মূল্যবান তুমি যদি বল গড়বো বসত চলে গিয়ে আমি আন্দামান।। তুমি যদি চাও সবই যে করবো তোমার কথাতে জীবন ভোর তুমি যদি চাও তবে খুলে দিই আমার মনের সকল দোর।। তুমি যদি বল পাশেতে থাকবে পেয়ে...

১৩/০৬/২০

Image
।।হয়ত সবই ঠিক।। ----------------------------- রিম্পা ষড়ংগী  ১৩/০৬/২০ ------------------------------ হয়ত সবই সঠিকভাবেই ব্যস্ততাতে টলছে  হয়ত কিছু আকাঙ্ক্ষারা নতুনআলোয় জ্বলছে।। হয়ত কিছু কল্পনারা বাস্তবতায় ভীড়ছে হয়ত আবেগ ছন্দমতো কথার ফাঁকে ঘিরছে।। হয়ত দেখার ইচ্ছেগুলি সম্ভাবনায় সরছে হয়ত হাসির আড়ালগুলি কান্নাটাকেই ভরছে।। হয়ত কোন আলোর নেশা সুতীব্রতায় ঘিরছে হয়ত আবার আগের মতো কিচ্ছু না আর ফিরছে।। হয়ত কিছু সত্যগুলোয় মিথ্যে চাপা পড়ছে হয়ত জীবন সন্ধ্যে সকাল বাঁচার আশা গড়ছে।।

০৬/০৬/২০

।।আমাদের কথা।। রিম্পা ষড়ংগী ০৬/০৬/২০ -------------------------- ভাঙলো বাড়ি, ডুবল যে গ্রাম ঝড় ও বাণের তোড়ে অতিমারী কাড়লো যে কাজ চলব কেমন করে? কী খাবো আজ,থাকবো কোথায় ধুঁকছে প্রাণের কোষ দুঃখ টা আজ অসহ্য যে কাকে দেবো দোষ? আমরা মানুষ,হই অসহায় মরছি তিলে তিলে পেটের দায়ে হাতটা পাতি  ত্রাণ কিছু কেউ দিলে। পরিস্থিতির হচ্ছি শিকার বাঁচার আলো ক্ষীণ দেখছি জগত নতুন করে নিত্য প্রতিদিন।। ভবিষ্যতের ভয়টা ভুলে বর্তমানে লড়ি হয়ত দয়ার পাত্র হয়ে ভিক্ষে কিছু ধরি।। বাচ্চা কোলে ঘরের বধূ দাঁড়ায় পথের ধারে চাল, আলুরই সাহায্যটা ভাতের হাঁড়ি নাড়ে।। কাঁদছে শিশু,পেটের জ্বালায় যন্ত্রণারই ছবি দেখছি সকল দুচোখ দিয়ে সইছি যেন সবই।। দুয়েক মাসের অবস্থা এই কি যে হবে কাল চিরকালের চিত্র বুঝি দরিদ্রতার হাল।। গরীব ছিলাম,খেটেই খেতাম তাও ছিল সুখ কাজ হারিয়ে ডুকরে কাঁদি হচ্ছে ভারী বুক।। আমরা যে গো অসংখ্য যে সংখ্যাতে হই ভারী ধরলে যে রোগ আমরা মরি বাড়াই মৃত্যুসারি।।

পরিস্থিতি

Image
।।পরিস্থিতি।।  ------------------- রিম্পা ষড়ংগী  ০৪/০৬/২০ লোকে আজ মানবিক নেপথ্যে ভাইরাস  এই হল বাস্তব সত্যের উদ্ভাস।। প্রার্থনা প্রত্যকে মহামারী দূর হোক চোখে আর সইছেনা বিশ্বের দুর্ভোগ।। করোনার কারবারে বাইরে বেরানো দায় প্রাণ হাতে সকলেই এভাবেই দিন যায়।। নেই কোন ভ্যাক্সিন বিশ্বটা টলমল ইমিউন সিস্টেমই এটাই যে সম্বল।। দিন দিন বেড়ে চলে ভাইরাস পজিটিভ ভয় আর সংকটে বিপাকে মানুষ জীব।। বাইরেতে বেরালেই মুখে মাস্ক,ধোয় হাত জিরে, লেবু, মধু জল খাচ্ছেই দিন রাত।। হয়ত বা কেটে যাবে সব কিছু হবে ঠিক সবটাই সয়ে যাবে সংশয় প্রাথমিক।। ধ্বংসের বিপরীতে সৃষ্টিরা করে খেলা প্রাণ হোক মানবিক না থাক যে অবহেলা।। এ হেন পরিস্থিতি  থাকবেনা নিশ্চয় সময়ের অধ্যায়ে জীবনের হোক জয়।। ইহকাল, অন্ত্যটা রোগ শোক মায়া যত সবই চিরন্তন যুগ তার নিজ মতো।।